Outsourcing: +88 01972 900 944

Outsourcing: +88 01970 277 233

অফিসিয়াল & আনঅফিসিয়াল সকলের জন্য ফ্রীল্যান্সিং কোর্সে ভর্তি চলছে


অফিসিয়াল & আনঅফিসিয়াল সকলের জন্য ফ্রীল্যান্সিং কোর্সে ভর্তি চলছে !!!

যেসব কারণে এই কোর্সটি হতে পারে আপনার জন্য অত্যাবশকীয় :

নিজের অফিসের প্রয়োজনে আকর্ষনীয় ডিজাইন শিখতে পারবেন।
কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডে নিজের মেধা যোগ্যতার সমন্বয় করে লোভনীয় ইনকাম প্রত্যাশা করেন।
সফটওয়ার ব্যবহার করে নিজের প্রোফাইল অথবা সোসাল মিডিয়ার ব্যানার ডিজাইন করে ব্যবহার করতে পারবেন।
পছন্দের ছবি ইডিটিং করে বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন।
অথবা ফ্রিল্যান্সিং & আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসে নিজেকে সাকসেস করতে একটি সঠিক গাইড লাইন পাবেন।
 



অফিসিয়াল & আনঅফিসিয়াল সকলের জন্য ফ্রীল্যান্সিং কোর্সে ভর্তি চলছে !!!

যেসব কারণে এই কোর্সটি হতে পারে আপনার জন্য অত্যাবশকীয় :

নিজের অফিসের প্রয়োজনে আকর্ষনীয় ডিজাইন শিখতে পারবেন।
কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডে নিজের মেধা যোগ্যতার সমন্বয় করে লোভনীয় ইনকাম প্রত্যাশা করেন।
সফটওয়ার ব্যবহার করে নিজের প্রোফাইল অথবা সোসাল মিডিয়ার ব্যানার ডিজাইন করে ব্যবহার করতে পারবেন।
পছন্দের ছবি ইডিটিং করে বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন।
অথবা ফ্রিল্যান্সিং & আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসে নিজেকে সাকসেস করতে একটি সঠিক গাইড লাইন পাবেন।

 তাহলে এই কোর্সটি আপনার জন্যই। আসন সংখ্যা সীমিত। আমাদের এই ব্যাচটা মাত্র  ৮-১০ জন ছাত্র নিয়ে পরিচালিত হবে।

 ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে ফ্রীল্যান্সিং কাজ শেখার মাধ্যমে আপনার ভবিষ্যৎ উপার্জনের স্থায়ী  সম্ভাবনা  তৈরী  করুন এবং স্বাবলম্বী হোন।
 
ডিজিটালাইজেশনের এই যুগে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে উপার্জন এর জন্য সবচেয়ে সহজ ও ভালো  মাধ্যম। ফ্রীল্যান্সিং এর মাধ্যমে সহজেই অনলাইন থেকে ইনকাম করা সম্ভব। পৃথিবীতে যতগুলো আকর্ষনীয়  পেশা  আছে  তার  মধ্যে  ফ্রীল্যান্সিং  অন্যতম,  কারণ  এখানে  রয়েছে  কাজের  ক্ষেত্রে  পূর্ণ  স্বাধীনতা  এবং  অবাধ স্বাধীনতা। নিজের পছন্দমত সময়ে ও স্থানে কাজ করতে চাইলে এই পেশা হতে পারে আপনার উপার্জনের উপযুক্ত মাধ্যম। ফ্রিল্যান্সিং মুক্ত পেশা হওয়ার কারণে আপনি আপনার  প্রয়োজন অনুযায়ী সময় ও মেধা ব্যবহার করে প্রচুর আয় করতে পারবেন ।

 এই কোর্সে যা থাকবে
১. এডোবী ফটোশপ

২. এডোবী ইলাস্ট্রটর

৩. এডোবী ইনডিজাইন

 আমাদের অন্যান্য কোর্সসমূহ :
♦ গ্রাফিক্স ডিজাইন + ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে কাজের যোগ্যতা তৈরী করা।

♦ এসইও এন্ড ডিজিটালা মার্কেটিং + ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে ওয়াল্ড ওয়াইড কাজ করার সুযোগ

♦ প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট + ফ্রিল্যান্স  মার্কেটপ্লেসে কাজের যোগ্যতা তৈরী করা।

 ফ্রিল্যান্সিং এর ইমম্পর্টেন্ড ও বেশি ইনকাম করা যায় এমন কয়েকটি কাজ-
 
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট:
 
প্রযুক্তির অগ্রযাত্রার এই সময়ে বিশ্বের ছোট-বড় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ছাড়াও ব্যক্তিগত ও সামাজিক ক্ষেত্রে প্রায় সবাই ধীরে ধীরে ইন্টারনেটের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন । সবাই চাচ্ছেন তার একটি ভার্চুয়াল ঠিকানা হোক । কারণ, একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠান একদিকে যেভাবে এর গ্রাহকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে, অপরদিকে বিভিন্ন শহরে বা দেশে অবস্থিত নিজ নিজ শাখার সাথে অভ্যন্তরিন যোগাযোগও সহজে এবং কম খরচে করতে পারে । ওয়েব দুনিয়ায় বর্তমানে মোট ওয়েবসাইটের সংখ্যা প্রায় ৬৫ কোটিরও বেশি। প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে হাজার হাজার ওয়েবসাইট। এই বিপুল সংখ্যক ওয়েবসাইট তৈরির জন্য ডিজাইনের পাশাপাশি প্রয়োজন ওয়েব ডেভেলপমেন্টের। নতুন ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট কিংবা পুরনো ওয়েবসাইটকে নতুনভাবে ডেভেলপ করার জন্য প্রয়োজন ভালোমানের ওয়েব ডেভেলপার। এ কারণেই অনলাইন মার্কেটপ্লেসসহ লোকাল মার্কেটে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের চাহিদা বেড়েই চলেছে ।

 একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, ওডেস্ক, ফ্রিল্যান্সার, ইল্যান্সসহ জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন ও নির্ভরযোগ্য কাজ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। ওডেস্কে প্রায় সবসময়ই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ক্যাটাগরিতে ১০ হাজারের অধিক জব থাকে। Fiverr প্রায় ৩৫ শতাংশ কাজই ওয়েব ডেভেলপমেন্টের।  প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে শত শত কাজ। ওডেস্কে প্রতি ঘণ্টায় ৫০ ডলারের বেশি রেটে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ করছেন এমন অনেকেই রয়েছেন। তবে এ আয়ের পরিমাণ নির্ভর করে ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে নিজেকে কতটা দক্ষ করতে পারছেন, তার ওপর। একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে অবশ্যই এইচটিএমএল, সিএসএস, পিএইচপি, জাভাস্ক্রিপ্ট, জেকোয়ারি, মাইএসকিউএলসহ সংশ্লিষ্ট বিষয় ভালোভাবে জানতে হবে। এ বিষয়গুলো ভালোভাবে শিখে শত শত কোটি ডলারের ওয়েব ডেভেলপমেন্টের বাজারে যেকেউ প্রবেশ করতে পারেন ।

 ওয়েব ও গ্রাফিক্স ডিজাইন:
আপনার  আঁকাআঁকিতে  ঝোঁক বেশি! ক্রিয়েটিভ কিছু করতে চান? সময় পেলেই কমপিউটারের পেইন্ট টুলস, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর নিয়ে গাছ, পাখি, ফুল, ফল, বাড়ির দৃশ্য, কারও নাম বা ছবি নিয়ে কাজ শুরু করেন। পার্টটাইম বা ফুলটাইম কাজ খুঁজছেন? অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অপেক্ষাকৃত বেশি আয় করতে চান? তাহলে ভেবেচিন্তে নেমে পড়ুন গ্রাফিক্স ডিজাইনে। অন্যান্য চাকরির চেয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশাটি সবচেয়ে নিরাপদ ও ঝামেলাহীন। নিরাপদ ও ঝামেলাহীন বলার কারণ হলো অন্যান্য পেশার বিপরীতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কোনো কাজের অভাব হয় না। এটি একটি সম্মানজনক পেশা। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার বেশ কিছু কালার, টাইপফেস, ইমেজ এবং অ্যানিমেশন ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হন। এর আউটপুট ডিজিটাল বা প্রিন্ট উভয়ই হতে পারে। নিজেকে ভালোভাবে তৈরি করতে পারলে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের অভাব হয় না।  ইন্টারএক্টিভ মিডিয়া, প্রমোশনাল ডিসপ্লে, জার্নাল, করপোরেট রিপোর্ট, মার্কেটিং ব্রোশিউর, সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, লোগো ডিজাইন, ওয়েবসাইট ডিজাইনসহ বিভিন্ন সেক্টরে কাজের চাহিদা রয়েছে। লোকাল মার্কেট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস যাই বলি না কেনো, প্রতিনিয়ত গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজের পরিমাণ বাড়ছে ।

 ডিজাইনারদের বেতন কত?
ডিজাইনারদের বেতন নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ডিজাইনার স্যালারিজের মতে, একজন ডিজাইনার প্রতি বছরে গ্রাফিক্স ডিজাইন বা এ সম্পর্কিত চাকরি বা কাজ করে 10-50 হাজার ডলার আয় করতে পারেন। সেই হিসেবে বাংলাদেশী প্রায় 8 – 40 লাখ টাকা আয় করতে পারেন ।  বাংলাদেশে গ্রাফিক্স ডিজাইনে ডিপ্লোমাধারীর বেতন মাসে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। তবে ব্যাচেলর ফাইন আর্টসে ডিগ্রিধারীদের বেতন মাসে এক থেকে দুই লাখ টাকা হতে পারে। এছাড়া অনলাইন মার্কেটপ্লেসে একটি লোগো ডিজাইন করলে পাঁচ ডলার থেকে শুরু করে দুই হাজার ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়। তবে দক্ষতার ক্ষেত্রেও বেশি ক্রিয়েটিভ কাজ হলে তা পাঁচ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া একটি ওয়েবসাইটটের ফাস্ট পেজ ডিজাইন করার ক্ষেত্রে ৫০ ডলার থেকে শুরু করে তিন হাজার ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন । ৯৯ডিজাইনস ডটকম, ফ্রিল্যান্সার, ওডেস্কসহ অনেক অনলাইন মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেখানে এ কাজগুলো পাওয়া যায়। তাই ওয়েব ও গ্রাফিক্স ডিজাইন হতে পারে একজন ফ্রিল্যান্সারের সবচেয়ে উপযোগী পেশা ।

 ব্লগিং অ্যান্ড অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং:
মার্কেটপ্লেসের কাজ না হলেও অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার অন্যতম উপায় হচ্ছে ব্লগিং ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। বাংলাদেশ থেকেই এখন প্রচুর তরুণ-তরুণী ব্লগিং ও অ্যাফিলিয়েটের মাধ্যমে নিজেদের স্মার্ট ক্যারিয়ার নিশ্চিত করেছেন। এ খাত থেকে প্রতিমাসে ২ থেকে ১০ হাজার ডলার আয় করছেন এমন সফল ব্লগার ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারের সংখ্যাও এখন অনেক। ব্লগিং ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং প্রায় একই বিষয়। দুটিই একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করা সম্ভব। ব্লগিংয়ের মাধ্যমে শুধু টাকা নয়, পাওয়া যায় বিপুল সম্মানও। আন্তর্জাতিক বিশ্বে ব্লগারদের সাংবাদিক হিসেবেও এখন গণ্য করা হয়। স্মার্ট ক্যারিয়ার হিসেবে তাই ব্লগিং এখন ওয়েব উদ্যোক্তাদের মধ্যে হট কেক হিসেবে পরিচিত।

 একজন ব্লগার কত আয় করতে পারেন?
ব্লগিংয়ের মাধ্যমে অনেক উপায়েই আয় করা যায়। এর মধ্যে গুগল অ্যাডসেন্স আমাদের দেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায়। সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্টের এ বিজ্ঞাপন প্লাটফর্মের মাধ্যমে প্রতিমাসে ১০ হাজার ডলারের ওপরে আয় করছেন এমন বস্নগারের সংখ্যাও বাংলাদেশে রয়েছে। গুগল অ্যাডসেন্স এবং সরাসরি বিজ্ঞাপন স্পেস বিক্রিসহ নানা উপায়ে আয় করতে পারেন একজন বস্নগার। নিজের ব্লগের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট পণ্যকে সুপারিশ করেও (রেফার) আয় করার সুযোগ রয়েছে একজন ব্লগারের, যাকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলা হয়। ইন্টারনেট থেকে ভালো আয়ের ক্ষেত্রে এ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংও একটি উপযোগী মাধ্যম। এ মাধ্যমে আপনি অন্য যেকোনো আয়ের উপায়, যেমন অ্যাডসেন্স থেকেও বেশি আয় করতে পারবেন ।

 বিশাল এ ক্ষেত্রটিতে এগিয়ে যেতে আপনাকে কৌশলী হতে হবে। জানতে হবে পরীক্ষিত সব উপায় । ওয়েবসাইট তৈরি করা থেকে শুরু করে অ্যামাজান অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম, প্রোডাক্ট রিসার্স (চাহিদা সম্পন্ন লাভবান পণ্য নির্বাচণ করা), কিওয়ার্ড রিসার্স (সার্চ ইঞ্জিন থেকে টার্গেটেড ভোক্তা প্রোডাক্টভিত্তিক কিওয়ার্ড নির্বাচন), প্রোডাক্ট রিভিউ লেখা (কাস্টমারকে পণ্য প্রদর্শন ও লেখনীর মাধ্যমে পণ্য কেনায় উৎসাহিত করা), অনলাইন মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে সাইটে টার্গেট ট্রাফিক আনাসহ বিভিন্ন বিষয় জানতে হয় । এ ক্ষেত্রে ইংরেজিতে কনটেন্ড লিখতে পারা বা লেখালেখিতে আগ্রহীরা এগিয়ে এসে সম্মানজনক এ পেশায় নাম লেখাতে পারেন ।

 সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও :
ইন্টারনেট বাণিজ্যের এ যুগে ওয়েবসাইট ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান তো কল্পনাই করা যায় না । আবার ওয়েবসাইট থাকলেই কিন্তু এখন চলে না । এটি সর্বত্র পৌঁছে দিতে ব্যাপক মার্কেটিংয়েরও প্রয়োজন হয় । ওয়েবসাইটকে সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি উপায় । ওয়েবসাইটকে গুগলের প্রথম দিকে নিয়ে আসার যে কৌশল সেগুলোকেই মূলত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলা হয় । দিন দিন বিশ্বব্যাপী যত ওয়েবসাইট বাড়ছে, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কাজের ক্ষেত্রও অনেক বাড়ছে । ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতেও তাই দিন দিন বাড়ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কাজ । আর এ হিসেবে ফ্রিল্যান্সার হতে চাওয়া তরুণ-তরুণী সহ আগ্রহী সকলেরই অন্যতম পছন্দ হতে পারে এ ক্ষেত্রটি ।

 সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার এর আয় কত?
ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোর তথ্যানুসারে, একজন দক্ষ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার মাসে ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন । প্রয়োজন সঠিক নির্দেশনা, প্রচেষ্টা, ধৈর্য এবং সময় । বর্তমানে ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও এ পেশায় বেশ ভালো করছেন । জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কিত ব্লগ এসইওমজের ডাটা অনুযায়ী প্রতি ১০০ জন ফ্রিল্যান্স সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারদের মধ্যে ২৩ জনই নারী । ওডেস্কের বিলিয়ন ডলারের এ মার্কেটপ্লেসের ১২ শতাংশ এখন আমাদের দখলে ।  আর এর মধ্যেই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের (এসইও) কাজ সবচেয়ে বেশি করা হয় । শুধু ওডেস্ক নয়, অন্যান্য মার্কেটপ্লেসেও সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কাজে বাংলাদেশীদের পদচারণা বাড়ছে । ফ্রিল্যান্সার ডটকম আয়োজিত কনটেন্ট রাইটিং ও সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) ২০১২ প্রতিযোগিতায় পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশের ফ্রিল্যান্সারদের হারিয়ে বাংলাদেশের সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও ইন্টারনেট মার্কেটিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রথম হয়। আর এজন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বিশ্বে বাংলাদেশ এখন খুব পরিচিত একটি নাম ।

 আপনি যদি ইংরেজি মোটামুটি জানেন, তবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখা শুরু করে দিতে পারেন । এসইওর এমন কিছু কাজ আছে যেগুলো খুব কঠিন কিছু নয় ।  দু’তিন মাসের ট্রেনিং নিয়েই এ ধরনের কাজ করা যায় । কোথায় পাবেন প্রশিক্ষণ । ইন্টারনেট থেকেই শিখতে পারেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের খুঁটিনাটি । প্রয়োজনে নিতে পারেন প্রশিক্ষণ । ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন চাহিদাসম্পন্ন এ কাজে ।

 ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে আমাদের কথা :
অনেকেই না জেনে, না বুঝে নেমে পড়েন ফ্রিল্যান্সিংয়ে। ফলে দেখা যায় কিছুদূর এগিয়ে আর সামনে যেতে পারছেন না। তাই যে কাজ পছন্দ করেন বা করতে ভালো লাগে তেমন কোনো কাজ ভালোভাবে জেনে তারপর মার্কেটপ্লেসে আসা উচিত। অনলাইন মার্কেটপ্লেসে পাঁচ শতাধিক ধরনের কাজ রয়েছে, যেখান থেকে আপনার পছন্দ অনুযায়ী বেছে নিতে হবে আপনি কী পারবেন আর কি করবেন। এরপর অনলাইন রিসোর্স বা ভালো কোনো প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে কিভাবে মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে হয় এসব জেনেই কাজে নামতে হবে। এমনটিই বলেছে জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস বিজ্ঞ যারা আছেন।

 আপনি কোন বিষয়টি ভালোভাবে পারবেন সেটা জেনে বুঝে কাজ শুরু করুন :
অপর শীর্ষ ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ওডেস্কের কান্ট্রি অ্যাম্বাসাডর বলেন, ভালো আয় করা যায় এমন বিষয় বিবেচনা না করে দেখতে হবে আপনি কোন বিষয়টি ভালোভাবে পারবেন। কোনো কাজ শুরু করার আগে অনলাইনের রিসোর্স থেকে সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিতে পারেন। এরপর আপনার যে কাজটি করা সম্ভব মনে হবে, তা ভালোভাবে শিখতে হবে। কোনো গাইডলাইনের দরকার হলে ফেসবুক ওডেস্কসহ অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোর ফেসবুক পেজ, গ্রুপ ও ফোরামে যুক্ত হতে পারেন। মনে রাখতে হবে, অনলাইনে কেউ আপনাকে এমনিতেই ডলার দেবে না। আপনার কাছ থেকে ভালো কিছু আউটপুট পেলেই তারা কাজটি করতে দেবে ও পে করবে। তাই যাই করেন কাজটি আগে ভালোভাবে জেনে নিন। ভালোভাবে কাজ জানলে কাজের অভাব হয় না।

 শুরুর আগে বেসিক কিছু বিষয় শিখে শুরু করুন
ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণদাতা উত্তরা ইনফোটেকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলাম জানান, অনেকেই না বুঝে ট্রেনিং নিতে চলে আসেন ফ্রিল্যান্সিং কাজ শিখতে। আমরা তাদেরকে সবসময়ই বলি, আপনি যে বিষয়ে কাজ করতে চান তার বেসিক বিষয়গুলো অনলাইন রিসোর্স থেকে জেনে আসেন। তাহলে এ বিষয়ে ভালো করতে পারবেন কি না, তা বুঝতে পারবেন। তা না হলে প্রশিক্ষণ নেয়ার সময় হারিয়ে যেতে হবে। অনলাইনেই অনেক রিসোর্স আছে, সেখান থেকে আপনি যেকোনো কাজ শিখতে পারেন। এ বিষয়ে বিনামূল্যে কোনো গাইডলাইনের দরকার হলে আমাদের কাছে আসতে পারেন। তবে যদি স্বল্প সময়ে কাজ শিখতে চান তাহলে সংশ্লিষ্টদের গাইডলাইন অথবা প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

 কনটেন্ট রাইটিং
অনলাইনে আয় করার সহজ ও সম্ভাবনাময় উপায় হলো লেখালেখি, যাকে আর্টিকেল রাইটিং বা কনটেন্ট রাইটিং বা কনটেন্ট ডেভেলপিং বলা হয়। যারা ইংরেজিতে ভালো তারাই লেখালেখিকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে পারেন। কনটেন্ট রাইটাররা বিভিন্ন কাজের জন্য কনটেন্ট লিখে থাকেন। ওয়েব কনটেন্ট ছাড়াও বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য রিসোর্স বই, ব্রোশিউর, লিফলেট বা অন্যান্য প্রচারণার কাজে কনটেন্ট ডেভেলপ করা হয়ে থাকে।

 কনটেন্ট রাইটিং এর কাজের ক্ষেত্র ও কত আয় করতে পারেন?
একজন কনটেন্ট ডেভেলপারের অনেক কাজের ক্ষেত্র রয়েছে। ক্ষেত্রগুলো হলো- কপিরাইটিং, বস্নগ লেখা, ওয়েব কনটেন্ট, প্রেস রিলিজ রাইটিং, ট্রান্সলেশন, ট্রান্সক্রিপশন, সামারাইজেশন, রিজিউম রাইটিং, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ইত্যাদি। লেখার বিষয়টি নির্ভর করে লেখকের দক্ষতা, রুচি, সহযোগিতা সর্বোপরি যে সাইট বা বিষয়ের জন্য লেখা হচ্ছে তার চাহিদার ওপর। তবে বিষয়বস্তু যা-ই হোক না কেনো, একজন ওয়েব কনটেন্ট রাইটারকে কোনো নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে রীতিমতো গবেষণা করে ডাটাবেজ তৈরি করতে হয়।

 বিশ্বে কনটেন্ট রাইটার এর মর্যাদা :
উন্নত বিশ্বে একজন কনটেন্ট রাইটারকে সাংবাদিক বা গবেষক হিসেবেও অভিহিত করা হয়। বিষয়বস্তু অনুযায়ী ঠিক করে নিতে হয় লাইন অব অ্যাকশন। লেখা অবশ্যই প্রাঞ্জল ও গুরুত্বপূর্ণ হতে হবে। রাইটার হিসেবে মনে রাখতে হবে যারা ওয়েবসাইটে আপনার লেখা পড়বেন, তারা মিনিটপ্রতি বা ঘণ্টাপ্রতি নির্দিষ্ট পয়সা খরচ করে পড়বেন। সুতরাং তারা চাইবেন সবচেয়ে কম সময়ে প্রয়োজনীয় জিনিস পড়তে। তাই তথ্যনির্ভর, সংক্ষিপ্ত বিষয়ভিত্তিক লেখাই আপনাকে লিখতে হবে।

 কন্টেন্ট কপি করা যাবে না!!!
কনটেন্ট লেখার ক্ষেত্রে কোনোভাবেই অন্যের লেখা কপি করা যাবে না। এতে লেখক হিসেবে আপনার গ্রহণযোগ্যতা যেমন বাড়বে, তেমনি উপার্জনের পথও প্রশস্ত হবে। কনটেন্ট রাইটার হতে গেলে আপনাকে অবশ্যই ইংরেজিতে ভালো হতে হবে। প্রয়োজন শুদ্ধ বানান। আমেরিকান স্পেলিং শুদ্ধভাবে জানতে হবে। গ্রামার সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে ব্রিটিশ ও আমেরিকান গ্রামার সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা ভালো। আর ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য প্রয়োজনীয় যে বিষয়গুলো রয়েছে, যেমন ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ সমন্বয়, কাভার লেটার লেখা, আপডেটেড থাকা এসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। শুদ্ধ বানান ও ভাষা লেখার জন্য গ্রামারলির ফ্রি অথবা প্রিমিয়াম মেম্বারশীফ নিয়ে কাজ করতে পারেন। যদি রিরাইট করে কন্টেন্ড রেডি করতে চান তাহলে স্মলএসইও ওয়েব সাইটের সহযোগীতায়ও সেটা করতে পারেন। তবে অবশ্যই প্লাগারিজম চেক করে নিশ্চিত হতে হবে আপনার কন্টেন্ট ইউনিক আছে কি না।

 বাংলাদেশে এমন অনেক ফ্রিল্যান্স লেখক আছেন যারা ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩০ ডলার পর্যন্ত আয় করে থাকেন। এছাড়া দেশী-বিদেশী ইন্টারনেট মার্কেটিং অথবা কনটেন্ট মার্কেটিং প্রতিষ্ঠানেও আপনি ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা বেতনে চাকরি করতে পারেন। তাই কনটেন্ট রাইটার হিসেবেও ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।

 আশা করি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে আপনার আগ্রহের জায়গাটুকুতে কিছুটা হলেও যুক্ত করতে পেরেছে এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন, আমাদের ঠিকানা:

টেকনোপার্ক

বাড়ী- ১৮ (৪র্থ তলা), সোনারগাঁও জনপথ রোড,

সেক্টার-১১, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০

ফোন: 01972 900 944, 01970 277 233

ওয়েব: www.technopark.com.bd